জোরপূর্বক বিয়ে করতে বাধ্য করায় ইউপি চেয়ারম্যান ও কাজিসহ ৯জন কারাগারে
প্রকাশ : ২৩-১০-২০২১ ১১:৫০
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঠাকুরগাঁওয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ায় ও বিয়ে করতে বাধ্য করায় এবং চাঁদাবজির অভিযোগে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউ'পি চেয়ারম্যান, নিকাহ রেজিষ্টার ও স্থানীয় সাংবাদিক সহ ৯ জনের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত।
গত বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, নিকাহ কাজি আব্দুল কাদের ও স্থানীয় সাংবাদিক আবুল কালাম, কথিত কনে রিতা আকতার সহ বিয়ের আসরে থাকা সহ ৯ জন সিনিয়র জডিশিয়াল আদালত ,বালিয়াডাঙ্গী এ হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক আরিফুর রহমান তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই মামলার আরেক আসামী সাজু পলাতক থাকায় আদালত তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৯ মে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ছোট সিঙ্গিয়া গ্রামের আনিসুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান (২৬) পলাশবাড়ী গ্রামের খাদেমুল ইসলামের মেয়ে রিতা আকতার সহ কয়েকজন বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তা হতে ধরে নিয়ে যায় দুওসুও ইউনয়ন পরিষদ কার্যালয়ে। সেখানে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ১৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা দেন মোহর ধার্য্য করে রিতা আকতারের সঙ্গে বিয়ে দেয় এবং জোরপূর্বক কাবিননামায় সাক্ষর নেয়। এছাড়াও ৫ লক্ষ টাকা চাঁদার দাবিতে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সাক্ষর নেয়।
ওই ঘটনায় মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ইউ'পি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, কনে রিতা আকতার সহ ১০ জনকে আসামী করে সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে একটি মামলা করে ।বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ তদন্ত করে ১০জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এছাড়াও একই বছরের ২৯ আগষ্ট বালিয়াডাঙ্গী সহকারী জজ আদালতে বিয়ে বাতিলের দাবিতে অপর একটি মামলা করে। এসব ঘটনা হতে বাঁচতে রিতা আকতার বর মিজানুর রহমান ও তার মা মালেকা বানুর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধী আইনের ৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় মিজানুর রহমান ও তার মা জামিনে রয়েছেন।
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@thakurgaon71.com