weather ৩২.৯৯ o সে. আদ্রতা ৫৫% , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ভাষা সৈনিক মরহম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের সমাধিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতির শ্রদ্ধা ও তার পরিবারের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ

প্রকাশ : ০৩-০৭-২০২৩ ১৯:০৯

নিজস্ব প্রতিবেদক
এ, কে আজাদ: জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের সমাধিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
তিনি শুক্রবার (৩০জুন/২৩) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের বামুনিয়া গ্রামের ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। মোনাজাত শেষে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের সহধর্মিনী আবেদা সুলতানা ইসলামসহ পরিবারের লোকজনের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের আগমনের শুরুতেই ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি ও ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের বড় ছেলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান হাবিব বুলবুল, ছোট ছেলে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থী আহসান উল্লাহ ফিলিপ, তার নাতী ও পাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী রুবেলসহ পরিবারের সকলে মিলে তাকে স্বাগত জানিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মাল্য দানের মাধ্যদিয়ে বরণ করে নেয়।
এসময় তার সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আযহারুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক হিমুন সরকার, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম রব্বানী মিঞা, সাবেক সভাপতি মোমিনুল ইসলাম সুমনসহ পাঁচ উপজেলার ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সৌজন্যে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের সহধর্মিনী আবেদা সুলতানা ইসলাম আবেগ অপূত কন্ঠে জানান, বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবর রহমানের সঙ্গে আমার স্বামীর ভালো সম্পর্ক ছিল।
ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আইয়ুব সরকারের নির্যাতনের শিকার হন তিনি। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনকালে গ্রেফতার হলে তখনও তার উপর ব্যাপক নির্যাতন চলে। জেল থেকে বেরিয়ে ৫৪'র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়ী হন। কিন্তু কারাগারে নির্যাতনের কারণে তিনি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। ফলে পরবর্তীকালে এই রোগে ভূগেই তিনি ১৯৬১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমার স্বামীর জাতীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। তিনি বর্তমান সরকারের কাছে কিছুই চান না। শুধু আমার স্বামীর রাষ্ট্রীয় মূল্যায়নের পাশাপাশি আমার ছেলে আহসান উল্লাহ ফিলিপসকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনীত সদস্য প্রার্থী হিসেবে তাকে বিজয়ী করে দেখতে চাই। তাহলে আমার ও আমার মরহুম স্বামীর যে স্বপ্ন ছিলো তা পুরণ হবে।
আমার স্বামী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলাম ছিলেন জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর। ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে তিনি সংগ্রাম করেছেন।
পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী তাকে ৫২'র ভাষা আন্দোলনের সময় এই গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে দিনাজপুর জেলা কারাগারে তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালায়।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ঈদুল আযহা উপলক্ষে তার পরিবারের সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, যাদের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন সেদিন বেগবান হয়েছিল ছাত্রলীগের কেদ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯৪৯-১৯৫৩) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন আইন বিভাগের ছাত্র, সাবেক এমএলএ, পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি (যুক্তফ্রন্ট) ও ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট
 দবিরুল ইসলাম তাদেরই একজন।
ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আইয়ুব সরকারের নির্যাতনের শিকার হন তিনি। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনকালে গ্রেফতার হলে তখনও তার উপর ব্যাপক নির্যাতন চলে। জেল থেকে বেরিয়ে ৫৪'র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়ী হন। 
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি মরহম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলাম ছিলেন-বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনা পর্বে যে ক'জন সাহসী সূর্য সন্তান তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল দবিরুল ইসলাম ছিলেন সেই সাহসী, স্বপ্ন সারথিদের অন্যতম। তৎকালীন সময়ে অনলবর্ষী বক্তা হিসেবেও তরুণ ছাত্রনেতা দবিরুল ইসলাম খ্যাতি ছিল চারদিকে।

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@thakurgaon71.com